অধিকার

বাংলাদেশি প্রবাসী ও অভিবাসীদের অধিকার ও নিরাপত্তা: আইনগত, সামাজিক ও পারিবারিক সুরক্ষার পূর্ণাঙ্গ গাইড।

নিরাপত্তা এমন একটি অবস্থা বা পরিস্থিতি যেখানে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সম্পদের ক্ষতি, বিপদ, ঝুঁকি বা হুমকি থেকে মুক্ত থাকে। নিরাপত্তা বিভিন্ন রকম হতে পারে এবং বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে প্রয়োগ করা হয়। যেমন: ১। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা: ব্যক্তির জীবন, স্বাস্থ্য এবং সম্পদের নিরাপত্তা। ২। পরিবারের নিরাপত্তা: পরিবার সদস্যদের শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা। ৩। সামাজিক নিরাপত্তা: সমাজে বসবাসকারী মানুষের নিরাপত্তা, যেমন আইন-শৃঙ্খলা, মানবাধিকার, এবং সামাজিক ন্যায়বিচার। ৪। সাইবার নিরাপত্তা: ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তথ্যের সুরক্ষা। ৫। জাতীয় নিরাপত্তা: একটি দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক হুমকির বিরুদ্ধে সুরক্ষা যা সামরিক, অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে রক্ষা করা হয়। ৬। পরিবেশগত নিরাপত্তা: পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের নিরাপত্তা, যা দূষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অন্যান্য পরিবেশগত হুমকির বিরুদ্ধে সুরক্ষিত করা হয়। নিরাপত্তার লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা যেখানে ব্যক্তি ও সমাজ শান্তি ও স্বস্তিতে থাকতে পারে এবং তাদের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষিত থাকে।

গবেষণা ও পদক্ষেপ:

বাংলাদেশের প্রবাসী ও অভিবাসীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে Easy Lives গত ২০ বছর ধরে গবেষণা এবং কাজ করে যাচ্ছে। উক্ত গবেষণায় প্রবাসী ও অভিবাসীদের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়টি অধিক গুরুত্ব পায়, গবেষণায় দেখা যায় অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়ে প্রবাসী ও অধিবাসীগণ সবচেয়ে বেশী সমস্যায়। তাঁরা  তাদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বিষয়ে খুবই বঞ্চিত এবং লাঞ্ছিত। এছাড়াও গবেষণায় উঠে আসে প্রবাসী ও অভিবাসীদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা, যেমন শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রীয়, আইনিগত, পৈত্রিক সম্পদ জনিত এবং তার নিজের উপার্জিত অর্থের সহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা ও অধিকার জনিত সমস্যায়। গবেষণার ফলশ্রুতিতে আমরা তাদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার জন্য গবেষণায় উঠে আসা বিভিন্ন ধরনের সমস্যাগুলো তালিকাভুক্ত করতে পেরেছি। তালিকাভুক্ত সমস্যাগুলো নিয়ে Easy Lives কাজ করে যাচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে উক্ত কাজের সুফল প্রবাসী ও অভিবাসীগণ পেতে শুরু করবে। প্রবাসী ও অভিবাসীগণ আমাদের অর্থনৈতিক কাঠামো ধরে রেখেছে ঘরের পিলারের মত। তাদের এই অবদান বাংলাদেশ মনে রাখবে চিরদিন। এতটা অবদান রাখার পরও তাদের শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রীয়, আইনিগত, পৈত্রিক সম্পদের এবং তার নিজের উপার্জিত অর্থের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। তাঁর নিরাপত্তা এবং অধিকার নিয়ে তাঁর পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কোনো ভাবনা নেই। অনেক ক্ষেত্রে আমরা অবাক হয়ে দেখেছি তাদের নিজের জন্য নিজেরও কোন ভাবনা নেই। ভাবনা তো পরের কথা আগেতো তাঁর নাগরিক অধিকার নিয়ে নিজের ধারণা থাকা দরকার। তাদের নাগরিক অধিকারের ধারণাও ক্ষীণ। প্রবাসী ও অধিবাসীগণের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়ে তাদের সম্যক জ্ঞান থাকা উচিত ছিল। আমরা তাদের সচেতন করার চেষ্টা করছি।

অবস্থান: প্রবাসী-অভিবাসীগণ জমি বা সম্পদ বিক্রি করে প্রবাসে যায়, হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের বিনিময়ে টাকা উপার্জন করে দেশে পাঠায়। উক্ত অর্থের অধিকার তাঁর আর থাকে না, সঠিকভাবে অর্থের ব্যবহার হয় না, হয় অপচয়, বিদেশ হতে ফেরত এসে প্রবাসী দেখে, বিদেশে যাবার পূর্বে তাঁর অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থা যেমন ছিল এখনো তেমনি আছে। নিজের কোন Development ঘটে নাই। দেশে ফেরত আসার পর তাকে পরিবারে আর পছন্দ করে না, পরিবার তাঁর উপর বিরক্ত হয়। এ অবস্থায় নিজকে খুবই অসহায় মনে হয়, নিজকে রিফুজি মনে হয়। পারিবারিক অধিকার থেকে তাদের হতে হয় বঞ্চিত। সব ক্ষেত্রে হতে হয় লাঞ্ছিত। সে নিজেও ভুলে যেতে থাকে তাঁর অধিকার।

এসব সকল বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, অধিকার আদায়, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রবাসী-অভিবাসীদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে Easy Lives.

বাংলাদেশি প্রবাসী ও অভিবাসীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হবে: বাংলাদেশি প্রবাসী ও অভিবাসীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তার প্রয়োজন। নিরাপত্তাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

পারিবারিক নিরাপত্তা: প্রবাসী-অভিবাসীগণ সবচেয়ে বেশি সমস্যায় নিমজ্জিত তাঁর পরিবারে। পরিবারে তাঁর অধিকার ও নিরাপত্তা বেশী জরুরী। সারা দেশে বাংলাদেশ সরকারের পুলিশ বাহিনীর সহায়তা নিয়ে আমাদের টিম ২৪/৭ সময় কাজ করবে।প্রবাসী-অভিবাসী যেন কোন সময় কোর প্রকার অধিকার ও নিরাপত্তা জনিত সমস্যায় না ভোগে সে ব্যবস্থা করা হবে। 

সামজিক নিরাপত্তা: পারিবারিক নিরাপত্তার পরই প্রবাসী-অভিবাসীগণ বেশি সমস্যায় নিমজ্জিত তাঁর সমাজে। তাঁরা প্রবাসে থাকার কারণে তাদের সম্পত্তিতে লোভ পরে সমাজের কতিপয় খারাপ মানুষের, তাই সমাজে বা এলাকায় তাঁর অধিকার ও নিরাপত্তা জরুরি। সারা দেশে বাংলাদেশ সরকারের পুলিশ বাহিনীর সহায়তা নিয়ে আমাদের টিম ২৪/৭ সময় কাজ করবে। প্রবাসী-অভিবাসী যেন কোন সময় কোর প্রকার অধিকার ও নিরাপত্তা জনিত সমস্যায় না ভোগে সে ব্যবস্থা করা হবে। 

আইনি নিরাপত্তা: অধিকার ও দায়িত্ব: প্রবাসী ও অভিবাসীদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা।
আইনি সহায়তা: দেশে ও বিদেশে আইনগত সমস্যায় পড়লে সহায়তার জন্য সেবা প্রদান।
শারীরিক নিরাপত্তা: নিরাপদ কর্মপরিবেশ: কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।
বাসস্থানের নিরাপত্তা: নিরাপদ ও বাসযোগ্য আবাসস্থল ব্যবস্থা করা।
আর্থিক নিরাপত্তা: বৈধ উপার্জন: বৈধ চুক্তির মাধ্যমে কাজ করা এবং নিয়মিত বেতন পেতে সহায়তা।
রেমিট্যান্স সেবা: দেশে অর্থ প্রেরণের সহজ ও নিরাপদ উপায়।
মানসিক ও সামাজিক নিরাপত্তা: মর্যাদাপূর্ণ আচরণ: কর্মক্ষেত্রে ও সমাজে মর্যাদাপূর্ণ আচরণ নিশ্চিত করা।
সামাজিক সেবা: সামাজিক সংযোগ স্থাপনের সুযোগ, যেমন প্রবাসী কমিউনিটি সেন্টার।
স্বাস্থ্য সুরক্ষা: স্বাস্থ্য সেবা: নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসা সেবা প্রদান।
বীমা সুবিধা: স্বাস্থ্য বীমা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বীমা সুবিধা।
শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: ভাষা ও সংস্কৃতি: স্থানীয় ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ।
প্রশিক্ষণ: পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণ প্রদান।
নিরাপত্তা প্রদানের পদ্ধতি: সরকারি উদ্যোগ: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ সেবা প্রদান। কনস্যুলেট ও দূতাবাসের মাধ্যমে আইনগত সহায়তা ও নিরাপত্তা পরামর্শ প্রদান।
প্রবাসী কল্যাণ বোর্ড: প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা। জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা প্রদান।
প্রবাসী সংগঠন: প্রবাসীদের সংগঠিত করার মাধ্যমে সামাজিক ও মানসিক সহায়তা প্রদান। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে সামাজিক সংযোগ স্থাপন।
বেসরকারি সংস্থা ও এনজিও: বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও এনজিও প্রবাসী ও অভিবাসীদের বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদানের ব্যবস্থা থাকা।
বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান: স্বাস্থ্য বীমা, জীবন বীমা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা প্রদান।

উপরে উল্লিখিত বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা ও সেবা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রবাসী ও অভিবাসীদের জন্য একটি সুরক্ষিত ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গড়ে তোলা সম্ভব।

 এমন একটি অবস্থা বা পরিস্থিতি যেখানে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সম্পদের ক্ষতি, বিপদ, ঝুঁকি বা হুমকি থেকে মুক্ত থাকে। বিভিন্ন রকম হতে পারে এবং বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে প্রয়োগ করা হয়। যেমন: ১। ব্যক্তিগত : ব্যক্তির জীবন, স্বাস্থ্য এবং সম্পদের । ২। পরিবারের : পরিবার সদস্যদের শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা। ৩। সামাজিক : সমাজে বসবাসকারী মানুষের , যেমন আইন-শৃঙ্খলা, মানবাধিকার, এবং সামাজিক ন্যায়বিচার। ৪। সাইবার নিরাপত্তা: ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তথ্যের সুরক্ষা। ৫। জাতীয় নিরাপত্তা: একটি দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক হুমকির বিরুদ্ধে সুরক্ষা যা সামরিক, অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে রক্ষা করা হয়। ৬। পরিবেশগত নিরাপত্তা: পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের নিরাপত্তা, যা দূষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অন্যান্য পরিবেশগত হুমকির বিরুদ্ধে সুরক্ষিত করা হয়। নিরাপত্তার লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা যেখানে ব্যক্তি ও সমাজ শান্তি ও স্বস্তিতে থাকতে পারে এবং তাদের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষিত থাকে।

গবেষণা ও পদক্ষেপ:

বাংলাদেশের প্রবাসী ও অভিবাসীদের , নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে Easy Lives গত ২০ বছর ধরে গবেষণা এবং কাজ করে যাচ্ছে। উক্ত গবেষণায় প্রবাসী ও অভিবাসীদের  ও নিরাপত্তার বিষয়টি অধিক গুরুত্ব পায়, গবেষণায় দেখা যায়  ও নিরাপত্তার বিষয়ে প্রবাসী ও অধিবাসীগণ সবচেয়ে বেশী সমস্যায়। তাঁরা  তাদের , নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বিষয়ে খুবই বঞ্চিত এবং লাঞ্ছিত। এছাড়াও গবেষণায় উঠে আসে প্রবাসী ও অভিবাসীদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা, যেমন শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রীয়, আইনিগত, পৈত্রিক সম্পদ জনিত এবং তার নিজের উপার্জিত অর্থের সহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা ও  জনিত সমস্যায়। গবেষণার ফলশ্রুতিতে আমরা তাদের নিরাপত্তা ও  নিশ্চিত করার জন্য গবেষণায় উঠে আসা বিভিন্ন ধরনের সমস্যাগুলো তালিকাভুক্ত করতে পেরেছি। তালিকাভুক্ত সমস্যাগুলো নিয়ে Easy Lives কাজ করে যাচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে উক্ত কাজের সুফল প্রবাসী ও অভিবাসীগণ পেতে শুরু করবে। প্রবাসী ও অভিবাসীগণ আমাদের অর্থনৈতিক কাঠামো ধরে রেখেছে ঘরের পিলারের মত। তাদের এই অবদান বাংলাদেশ মনে রাখবে চিরদিন। এতটা অবদান রাখার পরও তাদের শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রীয়, আইনিগত, পৈত্রিক সম্পদের এবং তার নিজের উপার্জিত অর্থের নিরাপত্তা ও  নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। তাঁর নিরাপত্তা এবং  নিয়ে তাঁর পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কোনো ভাবনা নেই। অনেক ক্ষেত্রে আমরা অবাক হয়ে দেখেছি তাদের নিজের জন্য নিজেরও কোন ভাবনা নেই। ভাবনা তো পরের কথা আগেতো তাঁর নাগরিক  নিয়ে নিজের ধারণা থাকা দরকার। তাদের নাগরিক  ধারণাও ক্ষীণ। প্রবাসী ও অধিবাসীগণের  ও নিরাপত্তার বিষয়ে তাদের সম্যক জ্ঞান থাকা উচিত ছিল। আমরা তাদের সচেতন করার চেষ্টা করছি।