স্বাস্থ্য সেবা

‘স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল’ তাই বাংলাদেশের রেমিট্যান্সযোদ্ধা প্রবাসী-অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের সকল সদস্যের সুস্বাস্থ্যের জন্য Easy Lives একটি আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা প্রকল্প প্রবর্তন করতে যাচ্ছে। উক্ত প্রকল্প হবে বাংলাদেশি সকল প্রবাসী-অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের সকল সদস্যের জন্য। সেবাটি হবে অত্যাধুনিক, অফলাইন এবং অনলাইন প্রক্রিয়ায়। উক্ত সেবায় প্রবাসী-অভিবাসী সহ তাদের পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর জীবন-যাপনের প্রেক্ষিতে Easy Lives বিভিন্ন ধরনের (প্রতিরোধ মুলক চিকিৎসা, প্রাথমিক চিকিৎসা, মনোবিজ্ঞানিক চিকিৎসা, চিরুর্য, গর্ভাবস্থা ও শিশুরোগ, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা, আমল ও বিজ্ঞান, প্রতিরোধাত্মক চিকিৎসা, প্রতিরোধাত্মক চিকিৎসা, পুনর্বাসন চিকিৎসা ইত্যাদি) প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে।এসব চিকিৎসার যথাযথ ব্যবস্থার জন্য Easy Lives এর প্রক্রিয়া চলমান। উক্ত প্রক্রিয়ার ধরন হবে বিশ্বের উন্নত দেশের মত। উন্নত দেশে কোন রোগে আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসার টাকার জন্য তাকে এবং তার পরিবারকে ভাবতে হয় না। বাংলাদেশি প্রবাসী-অভিবাসীদেরও চিকিৎসার টাকার জন্য তাকে এবং তার পরিবারকে ভাবতে হবে না। যথা সময়ে সঠিক মানের সঠিক চিকিৎসা প্রবাসী-অভিবাসীগণ পাবেন। Easy Lives স্বাস্থ্য সেবার জন্য Easy Health Management ব্যবস্থা করতে বদ্ধ পরিকর।

স্বাস্থ্য সেবা বলতে কি বুঝি? উত্তর: স্বাস্থ্যসেবা (Health Care) হলো এমন একটি সেবা মুলক ব্যবস্থাপনা যার মাধ্যমে মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় শারীরিক ও মানসিক যত্ন, লাইফ স্টাইল পরিবর্তন, চিকিৎসা, এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। স্বাস্থ্যসেবার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সেবা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যেমন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা, রোগ প্রতিরোধ, পুনর্বাসন, এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা। স্বাস্থ্য সেবা সাধারণত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলি, ডাক্তার, নার্স, ঔষধ বা অন্যান্য স্বাস্থ্য পেশাদারদের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।

স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন প্রকারভেদ: স্বাস্থ্যসেবা বিভিন্ন প্রকারভেদে বিভক্ত করা যায়। এর মধ্যে প্রধান কয়েকটি হল:

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা (Primary Healthcare): প্রাথমিক পর্যায়ে প্রদান করা সেবা যা সাধারণ অসুস্থতা, ছোটখাটো আঘাত এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত করে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য সাধারণত পরিবারিক চিকিৎসক বা জেনারেল প্র্যাকটিশনার (GP) দায়িত্বে থাকেন।

দ্বিতীয়িক স্বাস্থ্যসেবা (Secondary Healthcare): বিশেষজ্ঞদের দ্বারা প্রদত্ত সেবা যা বিশেষ ধরনের চিকিৎসা এবং সার্জারির জন্য প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, কার্ডিওলজিস্ট, নিউরোলজিস্ট ইত্যাদি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা প্রদান করা সেবা।

তৃতীয়িক স্বাস্থ্যসেবা (Tertiary Healthcare): বিশেষায়িত সেবা যা জটিল এবং গুরুতর রোগ বা আঘাতের জন্য প্রয়োজন। উচ্চমানের চিকিৎসা সুবিধা, যেমন ট্রমা সেন্টার, বিশেষায়িত হাসপাতাল ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।

প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা (Preventive Healthcare): রোগ প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ। যেমন: টিকা প্রদান, স্বাস্থ্য শিক্ষা, রোগ নির্ণয় ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।

স্বাস্থ্যসেবার উপাদানসমূহ: স্বাস্থ্যসেবা বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। এর মধ্যে প্রধান উপাদানগুলো হল: চিকিৎসা সুবিধা: হাসপাতাল, ক্লিনিক, নার্সিং হোম ইত্যাদি। এছাড়াও রয়েছে-

চিকিৎসা পেশাজীবী: চিকিৎসক, নার্স, ফার্মাসিস্ট, থেরাপিস্ট ইত্যাদি।

চিকিৎসা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি: চিকিৎসা যন্ত্রপাতি, ল্যাবরেটরি সরঞ্জাম, তথ্য প্রযুক্তি ইত্যাদি।

ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রী: বিভিন্ন ধরনের ঔষধ, ভ্যাকসিন, এবং অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রী।

প্রশাসনিক এবং সহায়ক সেবা: স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য বীমা, রোগীর তথ্য সংরক্ষণ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম।

স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব স্বাস্থ্যসেবা মানুষের জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি রোগ প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা: স্বাস্থ্যসেবা রোগ নির্ণয়, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসায় সহায়ক।

জীবন মান উন্নয়ন: স্বাস্থ্যসেবা মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বৃদ্ধি করে, যা তাদের জীবন মান উন্নয়নে সহায়ক।

জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয়: জরুরি চিকিৎসা এবং সঠিক সময়ে সেবা প্রদান অনেক সময় জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন: সুস্থ মানুষ কর্মক্ষম এবং অর্থনৈতিকভাবে উৎপাদনশীল হতে পারে, যা সামগ্রিকভাবে সমাজ এবং দেশের উন্নয়নে সহায়ক।

উপসংহার: স্বাস্থ্যসেবা হলো এমন একটি সার্বিক ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা হয়। এটি একটি মৌলিক অধিকার এবং প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সহজলভ্য এবং মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা একটি সামাজিক দায়িত্ব।

বাংলাদেশি প্রবাসী ও অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের কীভাবে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া যায়? উত্তর: বাংলাদেশি প্রবাসী ও অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে কিছু নির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। এই পদক্ষেপগুলো নিতে হলে সরকারের সহযোগিতা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সমন্বয় প্রয়োজন। নিচে প্রস্তাবিত কিছু পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো:

১. প্রবাসী ও অভিবাসীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র: প্রবাসী ও অভিবাসীদের জন্য দেশে এবং বিদেশে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক: এসব কেন্দ্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা।

২. টেলিমেডিসিন সেবাটেলিমেডিসিন প্ল্যাটফর্ম: অনলাইনে চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় এবং ঔষধ ব্যবস্থাপনার জন্য টেলিমেডিসিন প্ল্যাটফর্ম চালু করা। ভিডিও কনসালটেশন: ভিডিও কনসালটেশনের মাধ্যমে প্রবাসীরা চিকিৎসকের সাথে সরাসরি কথা বলতে পারবেন।

৩. স্বাস্থ্য বীমা বিশেষ স্বাস্থ্য বীমা পরিকল্পনা: প্রবাসীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য বীমা পরিকল্পনা তৈরি করা যা তাদের চিকিৎসা ব্যয় কভার করবে।

আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বীমা: বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বীমা প্রদানের ব্যবস্থা করা।

৪. দেশে পরিবারের জন্য বিশেষ সেবা

বাড়ি ভিত্তিক সেবা: পরিবারের সদস্যদের জন্য বাড়িতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা, যেমন নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসা পরামর্শ।

স্বাস্থ্য শিক্ষা: পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ কর্মসূচি।

৫. আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা সমন্বয়

প্রবাসী সেবা ডেস্ক: বাংলাদেশের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোতে প্রবাসী সেবা ডেস্ক স্থাপন করা, যা স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত তথ্য ও সহায়তা প্রদান করবে।

আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান: প্রবাসীরা যাতে সহজে এবং কম খরচে স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন, তার জন্য আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করা।

৬. মোবাইল অ্যাপ এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম

মোবাইল অ্যাপ: স্বাস্থ্যতথ্য, টেলিমেডিসিন, এবং স্বাস্থ্য বিমার জন্য বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপ করা।

অনলাইন রিসোর্স: স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে তথ্য ও সহায়তা প্রদানের জন্য অনলাইন রিসোর্স তৈরি করা।

৭. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ক্যাম্প: স্বাস্থ্য ক্যাম্প: বিদেশে বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজন করা।

মেডিকেল টিম প্রেরণ: প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন দেশে মেডিকেল টিম প্রেরণ করা।

৮. হেল্পলাইন এবং সহায়তা কেন্দ্র

হেল্পলাইন: স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও জরুরি সহায়তার জন্য একটি বিশেষ হেল্পলাইন চালু করা।

সহায়তা কেন্দ্র: প্রবাসী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য সাপোর্ট সেন্টার স্থাপন করা।

৯. বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতা NGO এবং INGO সহযোগিতা: বেসরকারি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা।

সহযোগিতা প্রোগ্রাম: প্রবাসী এবং অভিবাসীদের জন্য বিশেষ সহযোগিতা প্রোগ্রাম চালু করা।

এই পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে বাংলাদেশি প্রবাসী ও অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদান সহজতর ও কার্যকর করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে Easy Lives বিষয়গুলি নিয়ে গবেষণা মূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল’ তাই বাংলাদেশের রেমিট্যান্সযোদ্ধা প্রবাসী-অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের সকল সদস্যের সুস্বাস্থ্যের জন্য Easy Lives একটি আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা প্রকল্প প্রবর্তন করতে যাচ্ছে। উক্ত প্রকল্প হবে বাংলাদেশি সকল প্রবাসী-অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের সকল সদস্যের জন্য। সেবাটি হবে অত্যাধুনিক, অফলাইন এবং অনলাইন প্রক্রিয়ায়। উক্ত সেবায় প্রবাসী-অভিবাসী সহ তাদের পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর জীবন-যাপনের প্রেক্ষিতে Easy Lives বিভিন্ন ধরনের (প্রতিরোধ মুলক চিকিৎসা, প্রাথমিক চিকিৎসা, মনোবিজ্ঞানিক চিকিৎসা, চিরুর্য, গর্ভাবস্থা ও শিশুরোগ, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা, আমল ও বিজ্ঞান, প্রতিরোধাত্মক চিকিৎসা, প্রতিরোধাত্মক চিকিৎসা, পুনর্বাসন চিকিৎসা ইত্যাদি) প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে।এসব চিকিৎসার যথাযথ ব্যবস্থার জন্য Easy Lives এর প্রক্রিয়া চলমান। উক্ত প্রক্রিয়ার ধরন হবে বিশ্বের উন্নত দেশের মত। উন্নত দেশে কোন রোগে আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসার টাকার জন্য তাকে এবং তার পরিবারকে ভাবতে হয় না। বাংলাদেশি প্রবাসী-অভিবাসীদেরও চিকিৎসার টাকার জন্য তাকে এবং তার পরিবারকে ভাবতে হবে না। যথা সময়ে সঠিক মানের সঠিক চিকিৎসা প্রবাসী-অভিবাসীগণ পাবেন। Easy Lives স্বাস্থ্য সেবার জন্য Easy Health Management ব্যবস্থা করতে বদ্ধ পরিকর।